কিভাবে সহজে ইথিক্যাল হ্যাকিং শেখা যায়?
১ .সহজে হ্যাকিং শেখা—এই বিষয়টা নিয়ে বলার আগে, হ্যাকিং শেখার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা বলি আগে।
- হ্যাকিং বিষয়টা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এখানে শুধু কম্পিউটার কাকে বলে, এটা জানলেই হয় না বরং কম্পিউটার কেন কাজ করছে, কিভাবে করছে এরকম গভীর বিষয় নিয়েও জানা লাগে। এই বিষয় গুলো শিখতে অনেক সময় লাগে, অনেক ধৈর্য্য লাগে। এখানে কোন শর্টকাট নেই।
- টেকনোলজি নিয়মিত পরিবর্তন হচ্ছে। টেকনোলোজির সাথে হ্যাকিং এর টেকনিকও পাল্টাচ্ছে। নিয়মিত পরিবর্তন হওয়া এই ফিল্ডে, নতুন নতুন জিনিস শিখতে থাকাটা কঠিন। কঠিন হলেও এই শেখা থামানো যাবে না। এরকম পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে বা অভ্যস্থ হতে সাধনার দরকার।
- সবাই হ্যাকিংয়ে ভাল করতে পারে না। শুধু টেকনিক্যাল জিনিস জানলেই হয় না, আবার শুধু সৃজনশীল চিন্তা করতে জানলেই হয় না। ব্রেইনের এসব গুণাবলীর একটা কম্বিনেশন বানাতে হয়। অন্যথায়, হ্যাকিং এর জটিল বিষয়গুলো বুঝে ওঠা যায় না, হ্যাক করা যায় না।
এতগুলো কথা লিখলাম এই বিষয় বোঝাতে যে—হ্যাকিং কোন সহজ বিষয় নয়। তাই সহজে হ্যাকিং শেখা সম্ভব না। উপরে দেয়া ছবিটা খেয়াল করেছেন হয়তো। ছবির মতো বলতে হয় — আপনাকে কষ্ট করে পায়ে হেটে হেঁটেই এই পথে আগাতে হবে তথা শিখতে হবে, সহজ / শর্টকাট জাতীয় কিছু নেই।